
দিনে ক্রেতাশূন্য থাকলেও নারায়ণগঞ্জের কোরবানীর পশুর হাটগুলোতে রাতের চিত্র ভিন্ন। ঈদের মাত্র দুদিন বাকি থাকায় বেড়েছে উপস্থিতি। তবে ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশি। অবশ্য এখনো আশা ছাড়ছেন না বিক্রেতারা।তবে বিক্রেতারা বলছেন ক্রেতার চেয়ে দর্শকই বেশি। তাদের উদ্ভট প্রশ্নে অনেক ক্ষেত্রে বিব্রতও হচ্ছেন বিক্রেতারা।
হাসমত আলী। ১২টি গরু নিয়ে এসেছেন গোগনগর ইউনিয়নের পুরান সৈয়দপুর এলাকার আলী আকবর এর নিজস্ব ভুমিতে অস্থায়ী পশুর হাটে। হাটে ক্রেতার তুলনায় দর্শনার্থীদরে আনাগোনাও বেশি। সবাই ছবি ও ভিডিও করতে ব্যস্ত। কিন্তু কিনছেন না কেউই।
গরু ব্যবসায়ীরা জানান, মানুষ শুধু ছবি তুলছে গরু কিনছেন না কেউ। এতে আরো বেশি ঝামেলা হচ্ছে। যারা গরু কিনবেন তারা সুযোগ পাচ্ছে না।
তবে হাটগুলোতে যারা আসছেন তারা কেউ কেউ যাচাই বাছাই করেই কিনছেন গরু। আবার দাম কমবে এমন আশায় অনেকে ফিরেও যাচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও ৫ উপজেলা মিলিয়ে এবার কোরবানীর হাট বসেছে ৬১টি।
No posts found.